স্বাগতম
বাংলাদেশ আল্লাহু আকবর জিন্দাবাদ
মৌলভী বেলায়াত হোসেন সাহেব ১৯৫৬ ইং শুভ সূচনা করেন অত্র পরশুরাম ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার । অতপর এলাকার বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা রুহুল আমিন সাহেব ০১/০১/১৯৬৪ইং থেকে অত্র দীনি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব নেন। ০১/০১/১৯৭৮ তারিখে প্রতিষ্ঠানটি দাখিল খোলার অনুমতি পায়। ০১/০৭/১৯৮৪ তে আলিম পর্যায়ে ঊন্নিত হয় এবং ০১/০৭/১৯৮৯ ইং এ ফাযিল পর্যায়ে উন্নিত হইয়া ১৯৯৬ সালে দাখিল আলিম ও ফাযিল কেন্দ্র স্থাপিত হয়। বর্তমানে সাত শতাধিক ছাত্র/ছাত্রী অধ্যয়নরত রয়েছে। ফলাফলের দিক থেকে এই দীনি প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে।
আমাদের মিশন
আল্লাহ তা'লার সৃষ্টির শ্রেষ্ট জীব মানুষ। এই শ্রেষ্টত্ব এসেছে জ্ঞানের মাধ্যমে। পঞ্চইন্দ্রিয়, বিবেক-বুদ্ধি এবং অহি এই তিন মাধ্যমে জ্ঞান অর্জিত হয়। ইন্দ্রিয়লব্দ জ্ঞান আর বিবেক-বুদ্ধির জ্ঞান যেখানে অচল অহীর নির্ভুল জ্ঞান সেখানে মানুষকে দেয় পথের দিশা। বর্তমানে পৃথিবীর মানুষ পৌছেছে প্রযুক্তির শিখরে। আবিষ্কার হয়েছে নানা যন্ত্রপাতি, জীবন ধারণ পদ্ধতি হয়েছে সহজতর, পৃথিবী এসে গেছে হাতের মুঠোয়। কিন্তু অহীর জ্ঞান বাদ দিয়ে মানুষ উন্নতির যত শিখরেই উঠুক পরকালীন জিবন হবে তার ভয়াবহ। কারণ দুনিয়ার জীবন ক্ষনস্থায়ী তাকে মৃত্যুর পর পুনরুত্থিত হতে হবে এবং সব কাজের হিসাব দিতে হবে। তাই দুনিয়াতেই তাকে আখেরাতের সম্বল অর্জন করতে হবে।
তাই ইসলামী শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে বস্তুবাদী জড়বাদী চিন্তা-চেতনার মোহাবিষ্ট প্রজন্মকে অহীর জ্ঞানে আলোকিত করার পাশাপাশি আল্লাহর দেয়া নেয়ামত জ্ঞান-বিজ্ঞানের সর্ব উচ্চ শাখায় বিচরণ করার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে যুগোপযোগী জনসম্পদে রূপান্তর করাই আমাদের লক্ষ্য। .
আমদের ভিশন
জাহেলী তমাশাচ্ছন্ন পৃথিবীকে হেদায়াতের আলোয় আলোকিত করার জন্য মহান রাব্বুল আলামীন দুনিয়ায় প্রেরণ করেন সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তাফা (সঃ) কে। আর তাঁর উপর নাজিল করেন মহাগ্রন্থ আল কোরান। ইসলামকে মনোনীত করেন তাঁর নির্বাচিত ধর্ম হিসাবে। আর Islam not only a religion but it also a complete code of life. এতে রয়েছে জিবন ধারনের সকল বিষয়ের পরিপূর্ণ সমাধান। প্রিয় নবী পথহারা দিশাহারা মানুষগুলোকে হাতে কলমে এই বিষয় শিক্ষা দেয়ার জন্য প্রথম যে শিক্ষালয় চালু করেন তার নাম ছিল দারুল আরকাম। সেই দারুল আরকামের পথ অনুস্বরণ করে ইসলামী তাহজীব তামাদ্দুনের পূর্ণ অনুশীলনের চেষ্টা অব্যাহত রাখা হয় এই প্রতিষ্ঠানে। .
সর্বোপরি বস্তুবাদী জড়বাদী ধারণা ত্যাগ করে আল্লাহর দেয়া বিধানের প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনের মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের উদ্দেশ্য।